অন্য-আমি

চালতাফুলের মত মুখখানা আমার দু’করতলে
ভালবাসার স্বপ্নবোনা – বুনোহাঁসের গ্রীবামূলে।
বেতফলের আদ্রতা আর গভীর মনের নয়নে
হাসিমাখা ঠোটদুটো যার হৃদয়জুড়ে সমর্পনে।
সকল জুড়ে তুমি আর সকল ক্ষণে তুমি-
এ কেমন পাগলামি বল – এ কেমন পাগলামি!

হাতছানি দেয় ছোট্ট কুটির আর আকাশ জোড়া
পূর্ণিমা ; হৃদয় চাহনি তে যেন পড়ে হৃদয়ের ই সাড়া।
ব্রীড়ানত চোখে তোমার ফুটে ওঠে সন্ধ্যাতারার ফুল-
ভালবাসার স্বপ্ন ছড়ায় জীবন নদীর দু’কূল।
সকল জুড়ে তুমি আর সকল ক্ষণে তুমি-
এ কেমন অন্তর্যামী তুমি – এ কেমন অন্তর্যামী!

হারাবার ভয় – এই বুঝি হারাল – জাগে হৃদয় মর্মরে
তোমার কথাই বাজতে থাকে মনে – অনুচ্চারে।
দিন নেই রাত নেই – রাতের চোখে ঘুম নেই
ফিরে ফিরে আস তুমি – বুজলে চোখ তুমিই সেই।
আমার সকল জুড়ে তুমি আর সকল ক্ষণে তুমি-
এ কেমন মাতলামি আমার – এ কেমন মাতলামি !

কবি হয়েছি বলেই কি লিখতে হবে
“আমি-তুমি” কিংবা “তুমি-আমি”
দিলাম ক্ষান্ত আজ হতে এইসবে -
কাল হতে জন্ম নিবে এক “অন্য-আমি”।

বৃষ্টি

ঝুম ঝুম আর বিভ্রান্তি আনা বৃষ্টি।
অফিস ফেরত মনে ঘর-টানা বৃষ্টি-
শীত নামানো আর ঘুম লাগানো বৃষ্টি;
তুমি আমি -আমি তুমি -ঘোর লাগানো দৃষ্টি ।

হাসিমুখ

তরুণ টি বসে আছে খুব সুন্দর একটা জায়গায় – অপেক্ষা করছে বুঝা যাচ্ছে – কার জন্য সেই অপেক্ষা ঠিক বুঝা যাচ্ছেনা ।
এর মাঝে ই কয়েকবার ফোন বের করে কল ও দিল – ” এই মুহূর্তে সংযোগ দেয়া সম্ভব হচ্ছেনা … ” …” এই মুহূর্তে সংযোগ দেয়া সম্ভব হচ্ছেনা … ” ঠিক কি করবে বুঝছেনা । তখন একটা ছোট্ট পথশিশু এল এক গুচ্ছ ফুল নিয়ে । বার বার ছেলেটিকে অনুরোধ করছে ফুলগুলো কিনে নেবার জন্য । ছেলেটি আড় চোখে দেখছে শুধু বিরক্তভরে । কিছু রাস্তার ছবি – কিছু গাড়ি আসা যাওয়া করছে – ফোন বের করে কল দিচ্ছে শুধু – ” এই মুহূর্তে সংযোগ দেয়া সম্ভব হচ্ছেনা … ”
- ” স্যার ফুলগুলা কিনেন – আফা দেখলে খুশী হইব ”
- তরুণ টির বিরক্ত আরও বেড়ে যায় – ভাবে কোন সমস্যা হলনাতো ? ব্যাকগ্রাউন্ডে টেনশন এর মিউজিক
- ” নেন না ভাইজান … ফুলগুলো কিনলেই দেখবেন আফা চইলা আইছে ”
- এবার তরুণটি একটু অন্যরকম কওরে তাকায় – ” হ , তোরে কইছে ? ”
- ” আপনি কিন্যাই দেখেন ভাইজান … আর না আসলে আমার ফুল আমারে দিয়ে দিয়েন … টাকা লাগবো না ” বলে ছোট মেয়েটি মাথা নেড়ে একটু হাসবে।
এর পর তরুণটি মানিব্যাগ বের করবে – ফুলগুলো এখন তরুণটির হাতে … একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে ফুলগুলোর দিকে – ছোট মেয়েটি হেটে হেটে দুরে গিয়ে তাকিয়ে আছে –
কিছু রাস্তার ছবি – কিছু গাড়ি আসা যাওয়া করছে – হঠাত ছেলেটি রাস্তার দিকে তাকাল – আর একটা স্বস্তির হাসি দিল

৩৬ বছর

নতুন করে প্রেমে পড়ার জন্য ৩৬ বছর বড় বাজে সময়
এ সময় প্রেম আসে একেবারে নতুন্রুপে – ঘণ্টা বাজিয়ে নয় ;
আসে এক লহমায় টালমাটাল করে হারিয়ে দিতে ।
দূর হতে সব কিছু বোঝার মত দৃষ্টি বিনিময়ের বিরতিতে ;
একটুখানি আবার ঘরের কথাও ভেবে নিতে ;অথবা
পাশাপাশি না থেকেও বর্তমান অন্তর্জালে – কিংবা
কোথাও কোন সেমিনার এর তাড়াহুড়ায় , পরিপাটি শাড়ির পাটে
আর এক কাপ কফির বিনিময় , আমেরিকানো নয় – দুধে ভরা লাটে ।

নতুন করে প্রেম বোঝার জন্যও ৩৬ বছর বড় কঠিন সময়
এ সময় প্রেম আসে ভিন্ন রুপে – যেন সান্তুরে ঝংকার তোলা সন্ধ্যায়
তোমার আগমন ম্লান করে তোলে সব আয়োজন – বৃথা করে
তোলে চারপাশের মৃদুমন্দ পরিবেশ । আর মন মর্মরে
বাজে শুধু শরীরের ডামাডোল। যখন সত্য সত্য শুধু সত্য
মনে হয় তোমাকে আর সব কিছুই ঘোর লাগা পরাবাস্তব অস্তিত্ব ।
সুরলহমা বেজে যায় শুধু স্তব্ধময়তায় : সন্ধ্যা সকাল দিনে রাতে –
জেগে ওঠে সুর সব বাদ্যযন্ত্রে – প্রাণহীন নয় – রক্ত মাংসের তানপুরাতে ।

পত্রবিভা

সিব আমি আবার সেদিন – যবে ধেয়ে আসবে ঐ কেতু
মিলে আকাশ জুড়ে – জানিবে শুধু অন্তর্যামী ।
তোমার সকল ভালোবাসা মুঠিবদ্ধ করে আনব । সে – যে
মায়াবী রাতে ফুল ফোটাব বলে । আসছি ধেয়ে আশু
কেন্দ্রীভূত ধূমকেতুর মতো – সেদিন বসবে তুমি শুধু
ভালোবাসার কথা বলতে – নয়তো আমিই পড়ব সেই
লোকেন বোসের জর্নাল”,অথবা কথাই কবোনা – শুধু হিয়া
বা আঁখি বলবে কথা- অনুচ্চারে । তুমিই সেই হেমা -
সিন্দুক হতে করেছ যে চুরি আমার হৃদয়ের সব স্বর ॥

e-হাইকু

কানে হেডফোন, হাতে চকলেট বার
চ্যাট করছ কারো সাথে হয়ত
- WhatsApp অথবা Viber.

উড়ু চুল, সানগ্লাস আর তলোয়ার চিবুক
স্ট্যাটাস আপডেট করছ হয়ত
-twitter বা Facebook.

রঙ করা নখ, ব্রেসলেট আর নগ্নবাহু
সার্চ করছ কোন কিছু হয়ত
- Google বা yahoo.

অনেক সাহস করে দিলাম একটা ‘হাই’
চোখেই পড়লনা তোমার
ব্যাস্ত হয়ত- searching WiFi.

/ ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

জন্মতিথি

এইতো মনে হয় সেদিনের কথা -
বয়স তখন কতই বা – পাঁচ কিংবা ছয়।
বাবা-মা বলতো আজ জন্মদিন -আর আমি
আমি ভাবতাম রঙ্গীন বেলুন,রাঙতায় মোড়ানো হাতি ঘোড়ার কথা
আয়োজন হয়তো পায়েস কিংবা সাথে অন্য কিছু
কিন্তু আজ জানি – বুঝতাম না তখন জন্মদিনের ব্যাপার

এইতো মনে হয় সেদিনের কথা -
ঠিক ই মনে থাকতো নিজের জন্মদিনের কথা
আর এটাও নিশ্চিত ছিল বন্ধুরা ঠিক ই রাতে -
মোমবাতি জ্বালিয়ে ডাকবে কেকব্যাবচ্ছেদ এ ।
তারপর হুটোপুটি খাওয়া বড় পিস টি কে খাবে তা নিয়ে।
সাথে কারো চিঠির অপেক্ষায় থাকা -অবধারিত ভাবে- আর শুধু স্বপ্ন দেখা
স্বপ্ন দেখা চারপাশ নিয়ে – ভালবাসা দিয়ে

এইতো মনে হয় সেদিনের কথা -
আমাদের দুজনার তখন ছোট্ট সংসার – বিয়ে হয়েছে মাস পাঁচেক ,
আমার প্রথম জন্মতিথি উদযাপন – দুজনার এক সাথে -
এক ছাদের নিচে ।
আয়োজনের তেমন কিছু নেই – দরকার ও নেই ।
দু’জোড়া চোখে রঙ্গীন চশমা ।
সেই চশমা আবার দূরবীনের মত কাজ করে -
অনেক দূরের কিছু ও দেখতে পাই- আবছা আবছা – কিন্তু রঙ্গীন ।

আর আজ আমার নিজেকে মনে হয় অনিমেষ।
যার দু হাতে এক তাল কাঁদা -
যা দিয়ে ইচ্ছেমত মূর্তি গড়া যায়।

কবেকার কলকাতা শহরের পথে

আমার চোখে কলকাতা শহরের রুপ অনেক পূর্ব থেকেই গাঁথা অপরুপা হিসেবে । কেউ আবার ভুল বুঝবেন না – আমি না দেখেই এই শহরের প্রেমে পড়েছিলাম । সুমন এর গানে “কবেকার কলকাতা শহরের পথে”  হাঁটতে হাঁটতে , অনিমেষ যখন মাধবীলতা কে পৌছে দিত বাড়ি অব্দি , অতীন যখন পরীক্ষা হল থেকে বের হয়ে দল বেঁধে সিনেমা হলে যেত – আমি তো তাদের সাথে ই হেঁটেছি – আমি হেঁটেছি জয়িতা এর সাথে, সুনীল এর সাথে কফি হাউসে বসে আড্ডা দিয়েছি – অপু যখন নতুন বউকে নিয়ে সংসার বাঁধা শুরু করল – আমি ও ছিলাম তাদের কাছাকাছি ই – এমনকি পিতা ঠাকুরদাস এর সাথে যখন বালক ঈশ্বর মাইলফলক গুনতে গুনতে রাঙা শহরের দিকে হাঁটছিল – আমি ও যেন যাচ্ছিলাম সে শহরের পানে।

হিসেবে বাড়ির কাছের শহর – কিন্তু ভিসা , পাসপোর্ট এর কল্যাণে আজ তা ভিন দেশ – তাই কখনো যাওয়া হয়নি – অবশেষে অফিসের একটা কাজে যাওয়া কলকাতা শহরে -

গিয়ে কেমন লেগেছে তা তেমন প্রকাশ করতে পারবনা – পারিও না । কম কথার মানুষ – মনের ভাল লাগা মন্দ লাগা প্রকাশের ক্ষমতার একটা স্বল্পতা আছে , সেটা লেখাতেও এসে ভর করে । যাই হোক – আমার ঘরের কাছের শহর – তাই চলতে ফিরতে  তাই প্রতিনিয়ত তুলনা করে ফেলতাম – আমি জানি কোথাও বেড়াতে গেলে তা করা উচিত নয় – যা গুটি কয় শহরে যাওয়া হয়েছে পদে পদে দাঁত কামড়ে সে কথা মাথা পেতে মেনে নিয়ে ই শহর দেখেছি কিন্তু কলকাতার বেলায় তা করতে পারিনি – এক ভাষায় কথা বলি , এক ই রকম চলা ফেরা – এক রবি বাবুর সুরে মাথা দোলাই – তাই অনেক কিছুতেই তুলনামূলকতা চলে এসেছে মাথায় । ১৭৭২ এর পর থেকে যা ছিল পুরো ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী (আমাদের ঢাকা আবার রাজধানী ছিল তার ও আগে থেকে – ভুল না জানলে ১৬১০ ) তাই পুরনো আমলের অনেক কীর্তি ও আছে এদিক ওদিক ছড়িয়ে – তা ছাপিয়ে আমি দেখতে চেয়েছি তার বর্তমানের ছবি – অনেক ভাল ভাবেই কলকাতা রক্ষা করতে পেরেছে তার ধারাবাহিকতা – আধুনিকতার অনেক সুবিধার সাথে সাথে গায়ে গা লেগে আসা অসুবিধা গুলোকে প্রতিহত করাটা ই তো সতিকারের নগরায়ন । ঢাকার জ্যাম ঠেলে ঠেলে চলা এই আমি যখন কলকাতার এদিক ওদিক  চলাচল করতে পারি তুলনামূলক অনেক কম জ্যাম এর মাঝে – আফসোস লাগে -রাস্তা পারাপারে ট্রাফিক বাতির প্রতি চালক দের সহযোগীতা দেখতে পেয়ে -দীর্ঘশ্বাস দিয়েছি -দু মিনিট অপেক্ষা করে ই ট্যাক্সি পেয়ে – মনে পড়ে গিয়েছিল আমার প্রিয় ঢাকা শহরের কথা – যেথায় কোথাও যাওয়ার জন্য ট্যাক্সি/ সি এন জি পাওয়া লটারি জেতার মত ই ব্যাপার – আমরা কেন অন্য শহরের ভাল গুলো গ্রহন করতে পারিনা !
কেউ যেন আবার না ভেবে বসেন কলকাতা স্ব্বর্গ , ওখানেও খুন খারাপি হয় – মানুষে মানুষে খিস্তি খেউড় লাগে – আর মানুষ গুলো কেমন তা অল্প কদিনের দেখায় বলা উচিত না – আর সবচেয়ে বড় কথা পৃথিবীর সব জায়গার মানুষ ই প্রায় এক রকম – শুধু সামাজিকতার তারতম্যের কারনে পার্থক্য টা প্রকট আকারে দেখায় ।
আমরা কলকাতার মানুষের খাদ্যাভাস নিয়ে খোঁচা দিই – আমার কাছে ও ব্যাপারটা এক ই রকম ঠেকেছে – মিহিদানা সাইজের দুটো মিষ্টি খেয়ে কেউ যদি ঢেকুর তুলে বলে – “যা খেলুম দাদা – আহা আহা ” – একটু তো হাসি পাবেই আপনার – ঠিক না !
- তবে আবার যেতে হবে – রবীন্দ্রনাথের বাড়িটি দেখা হয়নি , সামনের বারের জন্য তোলা রইল ।

 

 

স্বপ্নের সহযাত্রী

পাহাড় সমুদ্র কিংবা নদীকূলে ঘাস -
আসমুদ্রহিমাচল তুই যেথায় যাস ;
ঝোপঝাড় বন বাদাড় নয়তো পাহাড় চূড়ে -
ধানক্ষেত খালপাড় আর সব বিল ঘুরে ;
সন্ধ্যার অস্তমিত সূর্যের কিরণখেলা -
কিংবা তৃষ্ণায় ছটফট অগ্নিল দুপুরবেলা ;
নয়তো মাঝে মাঝে জিরিয়ে নেয়া ঝিরঝির হাওয়ায় -
অবাক চা পান – প্রশস্ত সেই ঘরের দাওয়ায় ;
একটু পথ চলা সেই আমের সারি ধরে -
নূপুরের ধ্বনি বাজে সেথা হৃদয় মর্মরে ;
চাঁদনি রাতে মেঝেতে একটু রূপালি ঢেউ
অধীর আগ্রহে তুই- “ হয়তো আসবে কেউ”;

হয়তো আসবে কেউ – তোর পথের পথে -
সঙ্গী হতে জীবনের চলার সাথী হতে ;
রেখে হাত ঐ দু’মুক্তকরতলে -
নিশ্চিন্ত সমর্পনে সেই বি¯তৃত আঁচলে ;
খুঁজে পাবে নিবিড় ছায়া তোর দু’ নয়নে
যেথায় একদা এসেছিলাম আমি
- গভীর কোন স্বপনে ।

বই পত্র

প্রথম পড়েছি – আদর্শ লিপি আর শাহজাহান তপন এর লিখা একটি বই যাতে লেখার চেয়ে ছবি ছিল বেশি।
লুকিয়ে পড়েছি – প্রথম লুকিয়ে পড়েছি সমরেশ মজুমদারের সাতকাহন, ক্লাস সেভেনে থাকাকালীন ।আমার শিক্ষক জুয়েল ভাই ভুল বশত বই টি ফেলে চলে যায় , আর আমি তিন দিনে পুরা বই লুকিয়ে লুকিয়ে পড়েছি
হতে চেয়েছিলাম – আসলে কখনও তেমন কিছু হতে চাইনি , তবে হাইস্কুলে পড়ার সময় জাফর ইকবাল এর বই পড়ে খুব বিজ্ঞানী হতে মন চাইত। (হায় , আমার যে সে যোগ্যতা নাই)।
পড়ে গায়ে কাটা দিয়েছিল- বাস্কারভিলের হাউন্ড , ক্লাস সেভেন এ পড়ার সময় পড়েছিলাম ।
পড়ে কেদেছিলাম – ঠিক কাঁদিনি তবে প্রচন্ড মন খারাপ হয়েছিল পূর্ব- পশ্চিম এ অলি যখন অতীন এর উপর রাগ করে জীবনটা একা ই কাটিয়ে দিল।
বারবার পড়েছি - সেই সময় ,মাধুকরী, জীবনানন্দের কবিতার বই ,জাফর ইকবাল এর লেখা , মুজতবা আলীর লেখাগুলো,রবীন্দ্রনাথ এর কবিতা,সত্যজিতের ফেলুদা সিরিজ,এইসব দিনরাত্রি(হুমায়ূন আহমেদ),অগ্নিপুরুষ (মাসুদ রানা)
তীব্র ইচ্ছা থাকা স্বত্তেও পড়া হয়ে উঠেনি ঃফাউন্ডেশন সিরিজ , ডঃ জিভাগো,The Argumentative Indian,Ulysses
পড়ার জন্য খুজছি- এরিখ মারিয়া রেমার্ক এর সবগুলা বই এর ভাল বাংলা অনুবাদ
শেষ পড়েছি ঃমার্কেজের আত্মজীবনী (শেষ করা হয়নি)
এখন পড়ছি – the alchemist
আবার পড়ার ইচ্ছে – সেই সময়, ত্রী কমরেডস …(অনেক)
কেনার জন্য খুঁজছিঃ বুদ্বদেব গুহ এর অবরোহী
প্রিয় বই দোকানঃ সিলেটের বইপত্র , অনেক দিন পার করেছি এই দোকানে বই পড়তে পড়তে।
নিজের কেনা বই – ক্লাস ফাইভে থাকাকালীন ‘ছোটদের বিদ্যাসাগর’

* ক্লাস সেভেন এইট এর অনেক সময় কাটিয়েছি চট্টগ্রাম পাব্লিক লাইব্রেরী তে ।